সাহাবিরা যখন নবীজি কে জিজ্ঞাস করতো,হে রাসুল (স:) কখন বুজবো কেয়ামত খুব কাছে।
তখন নবীজি শেষ জামানার লক্ষন হিসাবে অনেকগুলো বিষয় উল্লেখ্য করেছিল।তার মধ্যে একটি হলো।
শেষ জামানায় ঘাট অঘাট হবে,অঘাট ঘাট হবে।
অযোগ্য ব্যাক্তিরা সমাজের দায়িত্বশীলতার আসন দখল করবে।
আজকে সত্যি তার এ প্রতিপলন দেখতে পাচ্ছি। তাইতো আমাদের মুসলিম দেশের ধর্মমন্ত্রিকে দেখা যায় নাচের আসরে। আবার বলতে শুনা যায় আল্লাহকে নাকি সরাসরি পাওয়া যায় না। আল্লাহকে পেতে হলে নাকি নবী, রাসুল, পীর মুরিদ সহ অন্যকারো মাধ্যম লাগে। ( নাউজুবিল্লা)
আবার মমতাজের মতো একজন যাত্রাপালার গায়িকারে একজন ইসলামিক স্কলারস এর বিরুধ্যে ও বলতে দেখা যায়।উনি নাকি ফেসবুক ইউটিউব খুললে আজহারী হুজুরের ওয়াজে গালিগালাজ করতে দেখে।
ওনাদের মতে আজহারী জামাতের প্রোডাক্ট। কারন তিনি একটা ওয়াজে বলেছে ঘরে ঘরে আল্লামা সাইদী দাও।
আচ্ছা উনিতো আমাদের মাননীয় প্রধান মন্ত্রিকে নিয়েও অনেক ভালো ভালো কথা বলেছেন। আবার প্রধানমন্ত্রিকে কাওমী জননী উপাধি ও দিয়েছেন।
আবার আল্লামা আহমেদ শফীকে উদ্দেশ্য করেও বলেছে, ঘরে ঘরে আল্লামা শফী দাও। সেগুলো কি আপনারা দেখেন না বা শুনেন না?
আমি এটাও মেনে নিচ্ছি আজহারী হুজুরের অনেক ভুল হয়তো আছে। কারন তিনি এ আসনে নতুন বক্তা। তার ভুল ধরার জন্যতো এ দেশে আরো অনেক আলেম ওলামারা আছেন।
তাদের কাদা ছোড়াছুড়ি নিয়ে আপত্তি থাকলেও ভুল ধরা নিয়ে আমার কোন আপত্তি নাই। তাই বলে শিল্পী মমতাজের একজন আলেমের ভুল ধরার কি যোগ্যতা আছে।
পরিশেষে একটা কথাই বলি। আপনি দল কানা হলে শুধুমাত্র মিজানুর রহমান আজহারাইকে ঘৃনা করবেন।
দলমত নির্বিশেষে একজন কোরানের খাদেম হিসাবে অন্তত তার বিরুধিতা করবেন না। কারন এ ব্যক্তির ওয়াজ শুনে অনেক যুবক আজ নিজেদের ইসলামের আলোয় আলোকিত করছেন।

0 Comments