ব্রেক্সিট কার্যকর হওয়ার কারণে বাংলাদেশ যে যে সুবিধা পাবে...?
ব্রেক্সিট কার্যকর হওয়ার কারণে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্য, উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের আলাদা হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার এক মন্তব্য বলেছেন,
ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ব্রিটেনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা হচ্ছে।
ব্রিটেন শুক্রবারে আনুষ্ঠানিকভাবে ইইউ থেকে বিচ্ছেদে যাচ্ছে । ব্রেক্সিট বিল অনুযায়ী আগামী ৩১ জানুয়ারি স্থানীয় সময় রাত ১১ টায় ইইউর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বিচ্ছেদ কার্যকর হবে।
১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে ইইউর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বিদ্যমান বাণিজ্য ও অন্যান্য সম্পর্ক বজায় থাকবে।
কিন্তু এই ১১ মাস যুক্তরাজ্য ইইউর সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবে না। এ সময় উভয় পক্ষ ভবিষ্যৎ বাণিজ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ে একটি চুক্তি সম্পাদনে কাজ করবে।
যুক্তরাজ্যে বিলটি আইনে পরিণত হওয়ার পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এবং ইইউ নেতারা এতে আনুষ্ঠানিক সাক্ষর করবেন। ইইউ পার্লামেন্টে বিলটি পাশে ২৯ জানুয়ারি বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।
স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নে রফতানি ক্ষেত্রে শূন্যশুল্ক সুবিধা পায় বাংলাদেশ। যুক্তরাজ্য দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম কানুন প্রতিষ্ঠায় আলাপ আলোচনা শুরু করেছে।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার জানান, দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে যুক্তরাজ্য।
বাংলাদেশের মেধাবীরা যুক্তরাজ্যে কর্মসংস্থানের জন্য যাওয়ার সুযোগ পাবে। এখন নতুন এক ধরনের ভিসা দেবে যুক্তরাজ্য যার মাধ্যমে গোটা বিশ্ব থেকেই মেধাবী লোক নেয়া হবে।
এতদিন যা ইউরোপের জন্য সীমিত ছিল। এখন সেই সুযোগ বিশ্বের অন্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশিরাও নিতে পারবে।
তিনি আর বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে চার বিলিয়ন ডলারের পণ্য যুক্তরাজ্যে রফতানি করে বাংলাদেশ।
তার বিপরীতে বাংলাদেশ যুক্তরাজ্য থেকে আমদানি করে ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। বাণিজ্য ব্যাপকভাবে বাংলাদেশের অনুকূলে রয়েছে।
বাংলাদেশে দ্বিতীয় বৃহত্তম বিনিয়োগকারী দেশ যুক্তরাজ্য।

0 Comments